বাংলাদেশ ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন যাচাই ও অনলাইন জন্ম সনদ চেক

জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ ব্যবহার করে অফিসিয়াল BDRIS সিস্টেমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ডিজিটাল জন্ম সনদ অনলাইনে যাচাই করুন। জন্ম সনদ চেক, PDF ডাউনলোড, প্রিন্ট এবং জন্ম নিবন্ধন সমস্যার সমাধান সম্পর্কিত তথ্য জানুন।

এই পেজে বাংলাদেশ জন্ম নিবন্ধন যাচাই, ডিজিটাল জন্ম সনদ অনুসন্ধান, PDF ডাউনলোড এবং পুরোনো হাতে লেখা জন্ম সনদ ডিজিটালাইজ করার ধাপসমূহ বিস্তারিতভাবে দেখানো হয়েছে।

অনলাইন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন যাচাই ফর্ম

বাংলাদেশ ডিজিটাল জন্ম সনদ অনলাইনে যাচাই করার জন্য আপনার ১৭ অংকের জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ প্রদান করুন।

Last updated: May 2026

everify.bdris.gov.bd

দাবিত্যাগ

এই ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশ সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এবং এটি কোনো অফিসিয়াল সরকারি ওয়েবসাইট নয়। সাধারণ মানুষের জন্য জন্ম নিবন্ধন যাচাই, জন্ম সনদ সম্পর্কিত নির্দেশনা এবং সরকারি অনলাইন সেবা সহজভাবে ব্যবহার করার সহায়ক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এই ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে।

বাংলাদেশে ডিজিটাল জন্ম সনদ ডাউনলোড বা প্রিন্ট করার উপায়

বাংলাদেশে ডিজিটাল জন্ম সনদ অনলাইনে ডাউনলোড বা প্রিন্ট করা খুবই সহজ। Birth and Death Registration Information System (BDRIS) পোর্টাল ব্যবহার করে জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে সহজেই ডিজিটাল জন্ম সনদ যাচাই ও সংরক্ষণ করা যায়।

নিচে বাংলাদেশ ডিজিটাল জন্ম সনদ যাচাই, ডাউনলোড এবং প্রিন্ট করার ৩টি সহজ ধাপ দেখানো হলো। এটি স্কুল ভর্তি, পাসপোর্ট আবেদন, ভিসা প্রসেসিং, এনআইডি আবেদন এবং অন্যান্য সরকারি কাজে ব্যবহার করা যায়।

ধাপ ১: জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রদান করুন

বাংলাদেশ জন্ম নিবন্ধন যাচাই ফর্ম

প্রথমে জন্ম নিবন্ধন যাচাই পেজে গিয়ে আপনার জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ সঠিকভাবে লিখুন।

এরপর একটি সহজ ক্যাপচা যাচাই করতে হবে যেখানে সাধারণত দুইটি সংখ্যার যোগফল দিতে হয়। ক্যাপচা পূরণ করার পর Verify বা Search বাটনে ক্লিক করুন।

ভুল এড়ানোর জন্য তথ্যগুলো অফিসিয়াল জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুযায়ী সঠিকভাবে প্রদান করুন।

ধাপ ২: ডিজিটাল জন্ম সনদ দেখুন

বাংলাদেশ ডিজিটাল জন্ম সনদ প্রদর্শন

জন্ম নিবন্ধন নম্বরটি যদি সরকারি ডাটাবেজে নিবন্ধিত থাকে, তাহলে ডিজিটাল জন্ম সনদ স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে।

ডাউনলোড বা প্রিন্ট করার আগে নাম, জন্ম তারিখ, বাবা-মায়ের তথ্য এবং জন্ম নিবন্ধন নম্বর ভালোভাবে মিলিয়ে দেখুন।

যদি কোনো তথ্য না পাওয়া যায় অথবা জন্ম নিবন্ধন এখনও না করা থাকে, তাহলে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন পেজে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

ধাপ ৩: Ctrl + P চাপুন এবং PDF হিসেবে Save করুন

বাংলাদেশ জন্ম সনদ PDF হিসেবে সংরক্ষণ

জন্ম সনদ স্ক্রিনে দেখানোর পর কীবোর্ড থেকে Ctrl + P চাপুন (Windows এর ক্ষেত্রে) অথবা Command + P চাপুন (Mac এর ক্ষেত্রে)। এতে ব্রাউজারের Print Window চালু হবে।

Print Window থেকে “Save as PDF” অপশন নির্বাচন করুন এবং Save বাটনে ক্লিক করে PDF ফাইলটি ডাউনলোড করুন।

চাইলে সরাসরি প্রিন্টার ব্যবহার করে হার্ড কপিও প্রিন্ট করা যাবে।

Google Chrome, Microsoft Edge এবং Mozilla Firefox এর মতো আধুনিক ব্রাউজারগুলো বাংলাদেশ ডিজিটাল জন্ম সনদ PDF ডাউনলোড ও প্রিন্ট সম্পূর্ণভাবে সাপোর্ট করে।

ডিজিটাল জন্ম সনদ খুঁজে না পেলে কী করবেন

অনেক সময় সঠিক জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ দেওয়ার পরেও ডিজিটাল জন্ম সনদ দেখা নাও যেতে পারে। বিশেষ করে পুরোনো জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে এমন হতে পারে, কারণ আগে অনেক তথ্য কাগজপত্রে সংরক্ষিত ছিল এবং পরে সেগুলো ডিজিটাল ডাটাবেজে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রথমে নিশ্চিত করুন যে ১৭ অংকের জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ সঠিকভাবে লেখা হয়েছে। সামান্য টাইপ ভুল বা ভুল তারিখ ফরম্যাটের কারণেও তথ্য খুঁজে পাওয়া নাও যেতে পারে।

তথ্য সঠিক হওয়ার পরেও যদি ফলাফল না আসে, তাহলে সম্ভবত রেকর্ডটি এখনো সম্পূর্ণভাবে ডিজিটালাইজড হয়নি অথবা সরকারি ডাটাবেজে আপডেট করা হয়নি। এ ক্ষেত্রে যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিস থেকে জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছিল সেখানে যোগাযোগ করতে হতে পারে।

প্রয়োজন হলে পুরোনো জন্ম সনদের কপি, বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদ বা অন্যান্য পরিচয়পত্র জমা দিতে হতে পারে। যাচাই শেষে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তথ্য আপডেট বা সংশোধন করতে পারে।

অনেক সময় নামের বানান ভুল, জন্ম তারিখের অমিল বা অসম্পূর্ণ তথ্যের কারণেও অনলাইন যাচাই ব্যর্থ হতে পারে। সংশোধন সম্পন্ন হলে সাধারণত ডিজিটাল জন্ম সনদ অনলাইনে দেখা যায়।

বাংলাদেশে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন ব্যবস্থা

বাংলাদেশে আগে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য মূলত কাগজপত্রের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হতো। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অফিস, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে হাতে লেখা রেজিস্টারে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য রাখা হতো। কোনো তথ্য যাচাই বা জন্ম সনদের কপি সংগ্রহ করতে হলে অনেক সময় সরাসরি স্থানীয় অফিসে যেতে হতো। কাগজভিত্তিক এই পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণ কঠিন ছিল এবং পুরোনো রেকর্ড খুঁজে বের করতেও সময় লাগতো।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার Birth and Death Registration Information System (BDRIS) এর মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে ডিজিটালাইজ করে। বর্তমানে দেশের অসংখ্য জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সরকারি ডাটাবেজে সংরক্ষিত রয়েছে। এখন জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ ব্যবহার করে অনলাইনে ডিজিটাল জন্ম সনদ যাচাই করা যায়, যা যাচাই প্রক্রিয়াকে দ্রুত, সহজ এবং নিরাপদ করেছে।

বর্তমানে ডিজিটাল জন্ম সনদ বাংলাদেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট। স্কুলে ভর্তি, পাসপোর্ট আবেদন, জাতীয় পরিচয়পত্র সম্পর্কিত কার্যক্রম, মোবাইল সিম নিবন্ধন, ব্যাংক একাউন্ট খোলা এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবার জন্য এটি প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে শিশুর জন্ম সনদ করার সময় বাবা-মায়ের ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন তথ্যও প্রয়োজন হয়।

জন্ম নিবন্ধনের ডিজিটালাইজেশন তথ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করেছে এবং ভুল তথ্য বা ডুপ্লিকেট রেকর্ডের ঝুঁকি কমিয়েছে। অনলাইন যাচাইয়ের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখা যায়, যা জালিয়াতি ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।

পুরোনো জন্ম সনদকে ডিজিটাল জন্ম সনদে রূপান্তর করার উপায়

বাংলাদেশে অনেক পুরোনো জন্ম সনদ হাতে লেখা বা কাগজভিত্তিক পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়েছিল, যখন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হয়নি। ফলে এখনো অনেক মানুষের কাছে এমন জন্ম সনদ রয়েছে যা অনলাইনে যাচাই করা যায় না এবং সরকারি ডিজিটাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত নেই।

পুরোনো বা নন-ডিজিটাল জন্ম সনদকে ডিজিটাল জন্ম সনদে রূপান্তর করতে সাধারণত যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিস থেকে মূল জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছিল সেখানে যোগাযোগ করতে হয়। স্থানীয় নিবন্ধন অফিস পুরোনো কাগজভিত্তিক তথ্য সরকারি ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ করে।

আবেদন করার সময় পুরোনো জন্ম সনদের কপি, বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত সনদ, পাসপোর্ট কপি, টিকা কার্ড বা অন্যান্য পরিচয় সংক্রান্ত ডকুমেন্ট জমা দিতে হতে পারে। এসব তথ্যের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ জন্ম নিবন্ধনের তথ্য যাচাই করে ডিজিটাল সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করে।

অনেক ক্ষেত্রে নামের বানান ভুল, জন্ম তারিখের অমিল, অসম্পূর্ণ তথ্য বা বিভিন্ন কাগজপত্রের তথ্যের অসামঞ্জস্য থাকলে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। যাচাই ও অনুমোদনের পর তথ্য BDRIS সিস্টেমে সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়োজন হলে নতুন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন নম্বর প্রদান করা হতে পারে।

তথ্য সফলভাবে ডিজিটালাইজড হওয়ার পর অফিসিয়াল অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে জন্ম সনদ যাচাই করা যায়। বর্তমানে বাংলাদেশে পাসপোর্ট আবেদন, স্কুলে ভর্তি, জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সেবা, ব্যাংক একাউন্ট খোলা, ভিসা আবেদনসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কাজে ডিজিটাল জন্ম সনদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে প্রক্রিয়ায় কিছু পার্থক্য থাকতে পারে। তাই জন্ম সনদ ডিজিটালাইজ করার সর্বশেষ নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে জানতে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করা ভালো।

বাংলাদেশে ডিজিটাল জন্ম সনদ যাচাই কেন গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশে ডিজিটাল জন্ম সনদ বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়ভিত্তিক ডকুমেন্টগুলোর একটি। অনলাইন জন্ম নিবন্ধন যাচাইয়ের মাধ্যমে সরকারি Birth and Death Registration Information System (BDRIS) ডাটাবেজে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষিত আছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়।

বাংলাদেশে পাসপোর্ট আবেদন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত সেবা, স্কুল ভর্তি, ভিসা আবেদন, ব্যাংক একাউন্ট খোলা, মোবাইল সিম নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কাজে ডিজিটাল জন্ম সনদ প্রয়োজন হয়। অনলাইন যাচাইয়ের মাধ্যমে জন্ম সনদের PDF ডাউনলোড, প্রিন্ট এবং তথ্য যাচাইও সহজ হয়।

দ্রুত অনলাইন জন্ম সনদ যাচাই

ডিজিটাল জন্ম সনদ যাচাইয়ের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ ব্যবহার করে অনলাইনে দ্রুত তথ্য যাচাই করা যায়। এতে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে বারবার যাওয়ার প্রয়োজন কমে যায়।

পাসপোর্ট, এনআইডি ও শিক্ষা সংক্রান্ত সেবায় প্রয়োজন

বাংলাদেশে ডিজিটাল জন্ম সনদ পাসপোর্ট আবেদন, জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন, স্কুল ভর্তি, পরীক্ষার নিবন্ধন, ভিসা প্রসেসিং, ব্যাংক একাউন্ট খোলা এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবার জন্য প্রয়োজন হয়।

ভুল বা অনুপস্থিত তথ্য শনাক্ত করতে সহায়তা করে

অনলাইন জন্ম সনদ যাচাইয়ের মাধ্যমে নামের বানান ভুল, জন্ম তারিখের সমস্যা, বাবা-মায়ের তথ্যের অসামঞ্জস্য বা এখনো ডিজিটালাইজ না হওয়া রেকর্ড শনাক্ত করা সহজ হয়।

নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও জালিয়াতি কমাতে সহায়তা করে

ডিজিটাল যাচাইয়ের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখা যায়। এতে ভুয়া তথ্য, ডুপ্লিকেট নিবন্ধন এবং জালিয়াতির ঝুঁকি কমে।

দীর্ঘমেয়াদী ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণে সহায়ক

ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন ব্যবস্থা নাগরিকদের তথ্য দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে এবং প্রয়োজনের সময় দ্রুত জন্ম সনদের তথ্য খুঁজে পাওয়া সহজ করে।

PDF জন্ম সনদ ডাউনলোড ও প্রিন্টে সহায়ক

অনলাইন যাচাই সফল হলে ব্যবহারকারীরা Google Chrome, Microsoft Edge এবং Mozilla Firefox এর মতো আধুনিক ব্রাউজার ব্যবহার করে ডিজিটাল জন্ম সনদ PDF হিসেবে ডাউনলোড বা প্রিন্ট করতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই কীভাবে করবো?

১৭ অংকের জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ ব্যবহার করে অফিসিয়াল Birth and Death Registration Information System (BDRIS) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে ডিজিটাল জন্ম সনদ যাচাই করা যায়।

জন্ম সনদ যাচাই করতে কী কী তথ্য প্রয়োজন?

সাধারণত জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার জন্য ১৭ অংকের জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ প্রয়োজন হয়। অফিসিয়াল পোর্টালে অতিরিক্তভাবে একটি সহজ বট যাচাইও সম্পন্ন করতে হতে পারে।

জন্ম সনদ অনলাইনে খুঁজে পাওয়া না গেলে কী করবেন?

অনেক পুরোনো জন্ম নিবন্ধনের তথ্য এখনো সম্পূর্ণভাবে ডিজিটালাইজড নাও হতে পারে। এছাড়া ভুল জন্ম নিবন্ধন নম্বর, জন্ম তারিখের অমিল বা তথ্যের ভুলের কারণেও অনলাইন যাচাই ব্যর্থ হতে পারে।

পুরোনো হাতে লেখা জন্ম সনদকে ডিজিটাল জন্ম সনদে রূপান্তর করবেন কীভাবে?

সাধারণত যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিস থেকে জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছিল সেখানে যোগাযোগ করতে হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করার পর তথ্য BDRIS ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

ডিজিটাল জন্ম সনদ PDF ডাউনলোড বা প্রিন্ট করবেন কীভাবে?

জন্ম সনদ অনলাইনে দেখানোর পর কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে Ctrl + P চাপলে ব্রাউজারের Print Window চালু হয়। সেখান থেকে সরাসরি প্রিন্ট করা যায় অথবা Save as PDF অপশন ব্যবহার করে PDF ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা যায়।

পাসপোর্ট করার জন্য কি ডিজিটাল জন্ম সনদ প্রয়োজন?

বাংলাদেশে পাসপোর্ট আবেদন, স্কুলে ভর্তি, জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সেবা, ভিসা আবেদনসহ বিভিন্ন কাজে ডিজিটাল জন্ম সনদ প্রয়োজন হতে পারে।

জন্ম নিবন্ধনের ভুল তথ্য সংশোধন করা যায় কি?

হ্যাঁ। নামের বানান ভুল, জন্ম তারিখের ভুল বা অন্যান্য তথ্যগত সমস্যা থাকলে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ স্থানীয় নিবন্ধন অফিসে যোগাযোগ করে তথ্য সংশোধনের আবেদন করা যায়।